কোশের গঠন (Structure of Cell) Multiple Choice Question

Akash
0

১. কোশের সংজ্ঞা : সজীব পর্দাবেষ্টিত নিউক্লিয়াসযুক্ত ; আত্মপ্রজননশীলগুণসম্পন্ন, ক্ষুদ্রতম জীবের গঠনগত ও কার্যগত একককে কোশ বলে। উদাহরণ : সমস্ত সজীব বস্তুই কোশ দ্বারা গঠিত।
❐ ব্যতিক্রম : স্তন্যপায়ী প্রাণীর পরিণত লোহিতকণিকায় নিউক্লিয়াস অনুপস্থিত
  • নিউক্লিয়াস নামকরণ করেন রবার্ট ব্রাউন। 
  • প্রোটোপ্লাজম নামকরণ করেন পারকিনজি। 
  • 1839 খ্রিস্টাব্দে স্নেইডেন ও শোয়ান কোশবাদ বা সেলথিয়োরি প্রবর্তন করেন।
২. প্রোটোবায়োটা বা অকোশীয় জীব এবং সাইটোবায়োটা বা কোশীয় জীবের সংজ্ঞা : যে সকল জীবের দেহে সাইটোপ্লাজম অনুপস্থিত তাদের প্রোটোবায়োটা বা অকোশীয় জীব বলে। যেমন—প্রিয়নখ ও ভাইরয়েড এবং যে সকল জীবের দেহ সাইটোপ্লাজমযুক্ত তাকে সাইটোবায়োটা বা কোশীয় জীব বলে। যেমন—সকল সজীব জীবই কোশীয়।

৩. কোশের প্রকারভেদ : নিউক্লিয়াসের সংগঠনের উপর ভিত্তি করে কোশ তিন প্রকার। যথা—
  • (a) আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোশ : যে সব  কোশের নিউক্লিয়াসটিতে নিউক্লিওপর্দা, নিউক্লিওরস এবং ক্রোমোজোম থাকে না অর্থাৎ সুগঠিত নয় তাকে আদি নিউক্লিয়াসযুক্ত কোশ বা অ্যাক্যারিওটস বলে। যেমন—মাইকোপ্লাজমা, নীলাভ সবুজ শৈবাল (B.G.A.), ব্যাকটেরিয়া ইত্যাদি।
  • (b) মধ্য নিউক্লিয়াসযুক্ত কোশ : যে সব কোশে নিউক্লিয়াস সুগঠিত অর্থাৎ নিউক্লিওপর্দা, নিউক্লিওরস এবং ক্রোমোজোম থাকে কিন্তু ক্রোমোজোম আম্লিক প্রোটিনযুক্ত তাকে মধ্য নিউক্লিয়াস বা মেসোক্যারিয়টম বলে। উদাহরণ : নকটিলিউকা।
  • (c) আদর্শ নিউক্লিয়াসযুক্ত কোশ : যে সকল কোশে নিউক্লিয়াসটি সুগঠিত এবং ক্রোমোজোম ক্ষারীয় 'প্রোটিনযুক্ত ও কোশবিভাজন মাইটোসিস বা মিয়োসিস পদ্ধতিতে ঘটে তাকে বলে আদর্শ নিউক্লিয়াসযুক্ত কোশ বা ইউক্যারিওটস। উদাহরণ : সমস্ত উন্নত উদ্ভিদ ও প্রাণী। ভাইরাস একপ্রকার অকোশীয় বস্তু কিন্তু এদের দেহ নিউক্লিও অম্ল (DNA বা RNA) ও প্রোটিন খোলক দ্বারা তৈরি।
৪. ভাইরয়েড কী? 
➛ ভাইরয়েড একপ্রকার অতিসূক্ষ্ম আণুবীক্ষণিক, নগ্ন আর. এন. এ. (RNA) সমন্বিত জীব, যার দেহে কোনো খোলক অনুপস্থিত।

৫. PPLO বা প্লিওফরফিজম কী?
➛ PPLO হল একপ্রকার মাইকোপ্লাজমা বা পরিবর্তনশীল পরিবেশে নিজেদের দেহের আকার ও আকৃতি পরিবর্তন ঘটায় ও নিউমোনিয়া সদৃশ রোগ সৃষ্টি করে তাদের PPLO বা প্লিওফরফিজম বলে। (i) অ্যামিবা সর্বদা তার আকৃতি পরিবর্তন করতে পারে । (ii)  সবচেয়ে ছোটো কোশ—মাইকোপ্লাজমা গ্যালিসেপটিকাম। (iii) সবচেয়ে বড়ো প্রাণীকোশ—মানুষের স্নায়ুকোশ (লম্বায় 1 মিটার) (iv) আয়তনে সবচেয়ে বড়ো প্রাণীকোশ—উটপাখির ডিম। (v)  সবচেয়ে বড়ো এককোশী সামুদ্রিক শৈবাল – অ্যাসিটাবুলেরিয়া (Acetebularia)।

৬. কোশপ্রাচীর : সমস্ত উদ্ভিদকোশে কোশপর্দার বাইরে অবস্থিত যে স্থিতিস্থাপক, ভেদ্য, জড়, মধ্যচ্ছদা ও প্রাথমিক গৌণ প্রাচীর সমন্বিত আবরণকে বলে কোশাপ্রাচীর।
❐ উৎপত্তি : কোশবিভাজনের সময় দুটি অপত্য নিউক্লিয়াসের মাঝের অংশে ফ্রাগমোজোম নামক একপ্রকার পর্দাবৃত থলি গঠিত হয় যা পরবর্তীকালে কোশপট্ট বা সেলপ্লেট তৈরী করে। এই সেলপ্লেট নানা ধরনের রাসায়নিক পরিবর্তনের ফলে মধ্যচ্ছদায় পরিণত হয়। এই মধ্যচ্ছদার দুপাশে নতুন কোশপ্রাচীর বস্তু সজ্জিত হয়ে পরিণত কোশপ্রাচীর সৃষ্টি করে।
❐ গঠন : পরিণত উদ্ভিদ কোশের কোশপ্রাচীর তিনটি অংশ নিয়ে গঠিত। যেমন—(a) মধ্যচ্ছদা। (b) প্রাথমিক কোশপ্রাচীর বা মুখ্য কোশপ্রাচীর। (c) গৌণ কোশপ্রাচীর।
  • (a) মধ্যচ্ছদা : পাশাপাশি অবস্থিত দুটি কোশের প্রাথমিক কোশপ্রাচীরের মাঝখানের আবরণটিকে মধ্যচ্ছদা বলে। মধ্যচ্ছদা কোলয়েড জাতীয়, স্থিতিস্থাপক, ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম পেকটেট জাতীয়।
  • (b) প্রাথমিক বা মুখ্য কোশপ্রাচীর :  মধ্যচ্ছদার দুপাশে অবস্থিত, সেলুলোজ, হেমিসেলুলোজ লিগনিন ও পেকটিন সমন্বিত কোশপ্রাচীরের স্তরকে প্রাথমিক বা প্রধান কোশপ্রাচীর বলে ।
  • (c) গৌণ কোশপ্রাচীর :  প্রাথমিক কোশপ্রাচীরের ভিতরের দিকে অবস্থিত বেশ পুরু, লিগনিন, সুবেরিন ও কিউটিন সমন্বিত স্তরকে গৌণ কোশপ্রাচীর বলে। এই স্তরটি খুব চওড়া হয়। 
৭. কোশপ্রাচীরের কাজ : (i) কোশের আকৃতি প্রদান করে। (ii) প্রোটোপ্লাজমকে বাইরের আঘাত হতে রক্ষা করে। (iii) ইহা ভেদ্য হওয়ায় ইহার দ্বারা জল ও খনিজ লবণ সহজে চলাচল করতে পারে। (iv) কোশের যান্ত্রিক শক্তি প্রদান করে। (v) প্লাজমোডেসমাটার মাধ্যমে কোশান্তর সংযোগ রক্ষায় সহায়তা করে।

৮. প্লাজমোডেসমাটা কী?
➛ উদ্ভিদ কোশপ্রাচীরে অবস্থিত কোশীর সংযোগরক্ষাকারী সাইটোপ্লাজমীয় অংশকে প্লাজমোডেসমাটা বলে। টোরাস কী ? কয়েকপ্রকার কোশে কৃপপর্দা চাকতির মতো মোটা হয় তাকে টোরাস বলে।
৯. কাইটিন কী? 
➛ কাইটিন একপ্রকার জৈববস্তু যা ছত্রাক ও লাইকেনের কোশপ্রাচীরে বর্তমান।
১০.ডেসমোজোম কী? 
➛ দুটি পাশাপাশি অবস্থিত প্রাণীকোশের কোশপর্দায় বাইরের দিকে কোশান্তর বস্তু জমা হয়ে যে সংগঠন সৃষ্টি করে যাতে দুটি কোশ যোগ থাকতে পারে তাকে ডেসমোজোম বলে।

১১. কোশআবরণী বা প্লাজমাপর্দা : সূক্ষ্ম, আণুবীক্ষণিক স্থিতিস্থাপক প্রভেদক ভেদ্যপর্দা, প্রোটোপ্লাজমকে ঘিরে অবস্থিত সজীব পর্দাকে কোশপর্দা বা প্লাজমা পর্দা বলে।
গঠন/বৈশিষ্ট্য : বিজ্ঞানী ডেনিয়েল ও ড্যাভসন মতে কোশপর্দা একটি ত্রিস্তরযুক্ত পর্দা । (i) কোশপর্দার দুদিকে এক অণুস্তর প্রোটিন থাকে । (ii) দুই প্রোটিন স্তরের মধ্যেকার হালকা বর্ণের স্তরটি হল স্নেহজাতীয় পর্দা বা লিপিড স্তর।  (iii) লিপিড অণুর বাইরের দিকের স্তরটি হল পোলার হাইড্রোফিলিক গ্রুপ অর্থাৎ ইহা জল অনুরাগী। (iv) হাইড্রোফোবিক গ্রুপটি থাকে লিপিড স্তরের ভেতরের দিকে। অর্থাৎ ইহারা জলবিরাগী হয়। এই দিকটিকে ননপোলার এন্ডও বলে।
❐ কাজ : (i). কোশীয় বস্তু রক্ষা করা। (ii) কোশান্তর সংযোগ রক্ষা করা। (iii) প্রভেদক ভেদ্য পর্দা হিসাবে কাজ করা। (iv) পিনোসাইটোসিস ও ফ্যাগোসাইটোসিস পদ্ধতিতে করে। খাদ্য গ্রহণ করা। (v) পর্দা সংলগ্ন রাইবোজোম প্রোটিন সংশ্লেষে সহায়তা
  • সিঙ্গার ও নিকলসন কোশীয় আবরণীর তরলায়িত মিশ্রণকলা আবিষ্কার করেন।
১২. পিনোসাইটস ও ফ্যাগোসাইটস কাকে বলে ? 
➛ কোশপর্দা ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে তরল বস্তু গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে পিনোসাইটোসিস বলে। আবার কোশপর্দা ভেতরের দিকে ভাঁজ হয়ে কোনো কঠিন বস্তুকে গ্রহণ করার প্রক্রিয়াকে ফ্যাগোসাইটস বলে।
১৩. প্রভেদক ভেদ্য পর্দা কাকে বলে?
➛ যে পর্দার ভেতর দিয়ে নিয়ন্ত্রিতভাবে দ্রাব ও দ্রাবক অণু চলাচল করতে সক্ষম তাকে প্রভেদক ভেদ্য পর্দা বলে। যেমন, কোশপর্দা, মাছের পটকা । 
১৪. অর্ধভেদ্য পর্দা বা অভিস্রবণ পর্দা কাকে বলে?
➛ যে পর্দার মধ্য দিয়ে শুধু দ্রাবক অণু চলাচল করতে পারে তাকে অর্ধভেদ্য বা অভিস্রবণ পর্দা বলে। যেমন, পার্চমেন্ট কাগজ। 
১৫. এককপর্দা (Unit membrone) কী?
➛বিজ্ঞানী রবার্টসন কোশপর্দার দুপাশে অবস্থিত দ্বিস্তরযুক্ত প্রোটিন স্তর ও তাদের মাঝখানে অবস্থিত লিপিড স্তরকে এককপর্দা বলেন। 

১৬. প্রোটোপ্লাজম কাকে বলে?
➛ পারকিনজি প্রথম প্রোটোপ্লাজমের নাম দেন । কোশপ্রাচীর ছাড়া নিউক্লিয়াস ও সাইটোপ্লাজমের সমন্বয়ে গঠিত জীবের গঠনগত একককে প্রোটোপ্লাজম বলে ।

১৭. সাইটোপ্লাজম : নিউক্লিওপর্দা থেকে কোশপর্দা পর্যন্ত বিস্তৃত স্বচ্ছ অর্ধতরল প্রোটোপ্লাজমীয় ধাত্রকে সাইটোপ্লাজম বলে।

১৮. টোনোপ্লাজম কাকে বলে ?
কোশের কোশগহ্বরকে ঘিরে যে পাতলা স্বচ্ছ সাইটোপ্লাজমীয় পর্দার আস্তরণ বর্তমান তাকে টোনোপ্লাজম বা কোশগহ্বর পর্দা বলে।

১৯. এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা (Endoplasmic Reticulum) : কোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত, জালিকাকারে বিস্তৃত, রাইবোজোমযুক্ত বা রাইবোজোমবিহীন অংশকে এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা বলে।
❐ উৎপত্তি : এদের উৎপত্তি সম্বন্ধে সঠিক তথ্য অজানা। তবে মনে করা হয় যে কোশ আবরণী বা নিউক্লিও আবরণী থেকে এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার সৃষ্টি হয়।
❐ বিস্তৃতি : ইহারা সমস্ত উদ্ভিদ প্রাণীকোশে অবস্থিত ।
❐ গঠন : সাধারণত সাইটোপ্লাজমীয় ধাত্রে ছড়ানো অবস্থায় থাকে। সাইটোপ্লাজমের এন্ডোপ্লাজম অংশে অবস্থান করে বলে এদেরকে এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা বলে। এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার গায়ে যখন রাইবোজোম সংযুক্ত থাকে না তখন একে মসৃণ এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা বলে (SER) এবং যখন রাইবোজোম যুক্ত থাকে তাকে অমসৃণ এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকা (RER) বলে।
প্রকার : সাধারণত তিন প্রকার। যথা— (a) সিস্টারনি— লম্বা ও চ্যাপটা, (b) ভেসিকল — গোলাকার, (c) টিউবিউলস—অনিয়মিত বিন্যাসযুক্ত ।
কাজ : (i) সব এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার গাত্রে রাইবোজোম অবস্থান করে তারা প্রোটিন সংশ্লেষে সহায়তা করে। (ii) সাইটোপ্লাজমের কাঠামো তৈরী করে। 

২০. রাইবোজোম : যে গোলাকার পর্দাবিহীন, কোশীয় উপাদান প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্য করে, যা ক্ষারীয় প্রোটিন ও রাইবোজোমাল RNA (r- RNA) সহযোগে গঠিত তাকে রাইবোজোম বলে। প্যালাড রাইবোজোম নাম দেন।
❐ বিস্তৃতি : প্রোক্যারিওটিক কোশে সাইটোপ্লাজমে ছড়ানো থাকে এবং ইউক্যারিওটিক কোশে নিউক্লিওপর্দা এবং এন্ডোপ্লাজমিক পর্দার গাত্রে লাগান থাকে।
গঠন : (i) প্রতিটি আদর্শ রাইবোজোম r-RNA ও হিস্টোন প্রোটিন সমন্বয়ে গঠিত এবং CO2+ ও Mg 2+ থাকে । (ii) আয়ন রাইবোজোমের দুটি অধঃএকককে যুক্ত রাখে। (iii) রাইবোজোম দুটি অধঃএকক নিয়ে গঠিত। নীচের বড়ো অধঃএককটি গম্বুজাকার এবং উপরের অংশ সামান্য অবতল হয়। (iv) আদর্শ নিউক্লিও কোশে বড়ো ও ছোটো অর্ধ এককটির ভর একত্রে 80S (605 ও 40S) । (v) আদি নিউক্লিও যুক্ত কোশে বড়ো ও ছোটো অধঃএককটির ভর 70S (50S 30S) 
কাজ : (i) প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্য করা । (ii) স্নেহ বিপাকে সাহায্য করা।

২১. পলিরাইবোজোম বা পলিজোম কী ?
➛ যখন কতকগুলি রাইবোজোম একে অন্যের সাথে m-RNA-এর সাথে যুক্ত হয়ে শৃঙ্খলাকারে সজ্জিত হয়ে অবস্থান করে তাকে পলিরাইবোজোম বা পলিজোম বলে। রাইবোজোম পর্দাবিহীন অঙ্গাণু, প্রোটিন সংশ্লেষে মূলতঃ সহায়তা করে।

২২. ভেদবার্গের একক কী ?
➛ ভেদবার্গের একক বলতে বিজ্ঞানী ভেদবার্গের (Svedberg) নামের আদ্যাক্ষর অনুসারে 'S' বোঝানো হয়। সেন্ট্রিফিউজ নামক যন্ত্রের দ্বারা কেন্দ্রাতিক ঘূর্ণন বলের দ্বারা বিভিন্ন ভরসম্পন্ন বস্তুর অধঃক্ষেপণের হারকে ভেদবার্গের একক বলে। 

২৩. ইনফরমোজোম কাকে বলে?
➛ যে কোশীয় উপাংশ নিউক্লিয়াস হতে বার্তা সাইটোপ্লাজমে পরিবহণ করে এবং যা m-RNA ও ক্ষারীয় প্রোটিন সমন্বয়ে গঠিত তাকে ইনফরমোজোম বলে।

২৪. মাইটোকনড্রিয়া : কোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত, আত্মপ্রজননশীল, দ্বিপর্দাবৃত ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দণ্ডাকার শ্বসনে সাহায্যকারী অঙ্গাণুকে মাইটোকনড্রিয়া বলে।
গঠন : (i) মাইটোকনড্রিয়া দুটি একক পর্দা বেষ্টিত। বাইরের পর্দাকে বহিঃপর্দা ও ভিতরের পর্দাকে অন্তঃপর্দা বলে। (ii) অন্তঃপর্দার ভিতরে অবস্থিত ধাত্রকে ম্যাট্রিক্স বলে। (iii) অন্তঃআবরণীর ভিতরে অবস্থিত অনিয়মিত ভাঁজযুক্ত আঙ্গুলের ন্যায় প্রবর্ধককে ক্রিস্টি বলে। (iv) অন্তঃআবরণীর ক্রিস্টি অংশে ধাত্রের দিকে অসংখ্য টেনিস র‍্যাকেটের মত বস্তু সমান দূরত্বে অবস্থিত। একে F, বস্তু বা ফার্নান্ডেজ-মোরান অধঃএকক বা অক্সিজোম বলে। (v) এই F, বস্তু তিনটি অংশে বিভক্ত। যেমন—পাদখণ্ড, বৃত্ত ও মুণ্ড। মুণ্ড অংশে ATP সংশ্লেষকারী উৎসেচক বর্তমান।
কাজ :  (i) শ্বসন প্রক্রিয়ায় ক্রেবসচক্রের প্রয়োজনীয় বিক্রিয়া পরিচালনা করে । (ii) মাইটোকনড্রিয়াতে ATP অণু সংশ্লেষিত হয় বলে মাইটোকনড্রিয়াকে কোশের শক্তিঘর বলে।

২৫. গলগিবডি বা লিপোকনড্রিয়া : যে সব কোশীয় উপাদান একক পর্দাবৃত এবং ক্ষরণে সহায়তা করে তাদের গলগিবডি বলে। গঠন : (i) এদের সাধারণত দেখতে নালিকার মতো বা গহ্বরের ন্যায় হয়। (ii) এটি তিন প্রকার গঠনযুক্ত যথা — সিস্টারনি, মাইক্রোভেসিকল ও ভ্যাকুওল। (iii) একক পর্দাবেষ্টিত চ্যাপটা ও সরু নালিকাগুলিকে সিস্টারনি বলে। সিস্টারনির পরিধির দিকে বিস্তৃত ছোট ছোট গোলাকার অংশকে মাইক্রোভেসিকল বলে ও বড়ো গহ্বরযুক্ত অংশকে ভ্যাকুওল বলে।
কাজ : (i) খাদ্যবস্তুর সঞ্চয়ভাণ্ডার হিসাবে কাজ করে। (ii) হরমোন ও উৎসেচক ক্ষরণ করা।
  • উদ্ভিদকোশের ক্ষেত্রে গলগিবডির উপাদানগুলি কিছুটা বিক্ষিপ্তভাবে ছড়ানো থাকে, এদের ডিকটিওজোম বলে।
  • গলগিবডির কাছাকাছি অংশে অর্থাৎ সাইটোপ্লাজমে কোনো অঙ্গাণু থাকে না, যেকারণে এই অঞ্চলকে জোন অফ এক্সক্লুসান বলে।
২৬. লাইসোজোম : কোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত, একক পর্দাবৃত, থলিস্বরূপ, অতিসূক্ষ্ম কোশীয় উপাংশ যা কোশীয় বস্তু পাচনে ও বীজাণু ধ্বংস সাধনে সহায়তা করে তাকে লাইসোজোম বলে।
গঠন : (i) এরা সাধারণত আবরণ দিয়ে পরিবেষ্টিত, গোলাকার থলি সদৃশ অংশবিশেষ। (ii) এদের আবরণীটি প্রোটিন, লিপিড ও প্রোটিন স্তর দ্বারা তৈরি হয়৷ (iii) লাইসোজোমের ভিতরে নানাপ্রকার প্রোটিন বিশ্লেষণকারী উৎসেচক বর্তমান।
কাজ : (i) পরিপাকে অংশগ্রহণ করে। (ii) মৃত কোশ বা লোহিত কণিকার কোশ ধ্বংসসাধন করে। (iii) ভ্রূণ বৃদ্ধির সময় খাদ্য সরবরাহ করে।
  • নিজ কোশীয় বস্তু ধ্বংসসাধন করে বলে লাইসোজোমকে আত্মঘাতী থলি বা Suicidal bag বলে।
  • সাধারণত উদ্ভিদকোশে এদের দেখা যায় না, তবে পেঁয়াজের বীজ কোশে, ভুট্টা ও তামাকের চারা কোশে এদেরকে দেখা যায়।
  •  GERL : ডাইসন নামে এক বিজ্ঞানীর মতে প্রাথমিক লাইসোজোম গলগিবডি ও এন্ডোপ্লাজমীয় জালিকার সমন্বয়ে একটি ক্ষরণতন্ত্র গঠিত হয়।
  •  লাইসোজোম রোগ জীবাণু পাচিত করে বলে এই পদ্ধতিকে অটোলাইসিস বলে।
২৭. সেন্ট্রোজোম : প্রাণীকোশে কিংবা কিছু কিছু উদ্ভিদকোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত একপ্রকার পর্দাবিহীন কোশীয় অঙ্গাণু যা নিউক্লিয়াসের নিকটে অবস্থিত, তারকাকার, দুটি সেন্ট্রিওল ও সেন্ট্রোমিয়ার নিয়ে গঠিত ও প্রাণীকোশ বিভাজনের সময় বেমতত্ত্ব তৈরী করে, তাকে সেন্ট্রোজোম বলে।
❐ গঠন : (i) সেন্ট্রোজোমের বাইরের দিকে অবস্থিত দানাবিহীন সাইটোপ্লাজমীয় ধাত্রকে সেন্ট্রোস্ফিয়ার বলে। (ii) সেন্ট্রোজোমের কেন্দ্রের সাইটোপ্লাজমীয় ধাত্রকে কাইনোপ্লাজম বলে। (iii) সেন্ট্রোস্ফিয়ারের চতুর্দিকে রশ্মিবৎ বিচ্ছুরিত অণুনালিকাগুচ্ছকে অ্যাস্ট্রালরশ্মি বলে। (iv) কাইনোপ্লাজমের কেন্দ্রে অবস্থিত অনুনালিকা দ্বারা তৈরি, পিপার মতো দুটি অংশকে সেন্ট্রিওল বলে ।
  • সাইটোপ্লাজমের কেন্দ্রে অবস্থিত নয়টি অনুনালিকা দিয়ে সেন্ট্রিওল গঠিত হয়।
  • স্তন্যপায়ী প্রাণীর লোহিতকণিকা ও অণুচক্রিকা কোশে সেন্ট্রিওল অনুপস্থিত
  • সেন্ট্রিওলের কেন্দ্রে একটি গোরুর গাড়ির চাকার ন্যায় অংশ থাকে যার কেন্দ্রীয় দণ্ডাকার অংশকে হাব বলে।
কাজ : (i) প্রাণীকোশে কোশ বিভাজনের সময় বেমতত্ত্ব বা স্পিন্ডিল ফাইবার অংশ তৈরী করে। (ii) শুক্রাণুর পুচ্ছ গঠনে সহায়তা করা। (iii) কাইনেটোজোম বা ব্লেফারোপ্লাস্ট বা বেসালবডির সাহায্যে কর্ষিকা গঠনে অংশগ্রহণ করা।

২৮. প্লাস্টিড : ছত্রাক ছাড়া প্রায় সকল প্রকার উদ্ভিদকোশে সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত দ্বিপর্দা পরিবেষ্টিত, প্রায় উপবৃত্তাকার আকৃতিসম্পন্ন, রঞ্জকবিহীন কিংবা রঞ্জকযুক্ত কোশ অঙ্গাণুকে প্লাস্টিড বলে।

❐ গঠন : (i) প্লাস্টিডের ভিতরে অবস্থিত সমসত্ব ধাত্রকে স্ট্রোমা বলে। (ii) স্ট্রোমার ভিতরে অবস্থিত থলিসদৃশ স্তরগুলিকে গ্রানা বলে (একবচনে গ্রানাম) । প্রতিটি ক্লোরোপ্লাস্টে গ্রানার সংখ্যা 60-80 হয়। (iii) গ্রানার ভিতরে অবস্থানকারী পরপর সজ্জিত চ্যাপটা থলির ন্যায় অংশকে থাইলাকয়েড বলে। (iv) থাইলাকয়েডের ভিতরের গহ্বরকে বলে লকুলাস । ইহার মধ্যেই যে কোয়ান্টোজোম দানা থাকে তা ক্লোরোফিলযুক্ত হওয়ায় সালোকসংশ্লেষে সহায়তা করে। (v) দুটি থাইলাকয়েডের একক আবরণী যুক্ত হয়ে যে দ্বিএকক আবরণী গঠিত হয় তাকে গ্রানাম ল্যামেলী বলে। 

কাজ : (i) থাইলাকয়েড অণুর মধ্যে অবস্থিত কোয়ান্টোজোম সালোকসংশ্লেষ প্রক্রিয়ায় সৌরশক্তিকে আবদ্ধ করে রাসায়নিক শক্তিতে পরিবর্তিত করে। (ii) লিউকোপ্লাস্ট খাদ্য সঞ্চয়ে সহায়তা করে।
  • ক্লোরোপ্লাস্টিড: সবুজ রঞ্জকযুক্ত প্লাস্টিড যেটি সালোকসংশ্লেষে সাহায্য করে তাকে ক্লোরোপ্লাস্টিড বলে। যেমন, পাতার মেসোফিল । 
  • ক্রোমোপ্লাস্টিড : সবুজ বর্ণ ব্যতিত রঙীন প্লাস্টিডকে ক্রোমোপ্লাস্টিড বলে। ফুল, ফলে এই ধরনের প্লাস্টিড থাকে। 
  • লিউকোপ্লাস্টিড : বর্ণহীন অর্থাৎ সাদা বর্ণের প্লাস্টিডকে বলে লিউকোপ্লাস্ট।
২৯. ভ্যাকুওল : কোশের সাইটোপ্লাজমে যে সব সাইটোপ্লাজমবিহীন অংশ থাকে যা কোশ রসে পূর্ণ থাকে তাকে ভ্যাকুওল বা কোশগহ্বর বলে। ❐ গঠন : অপরিণত উদ্ভিদকোশে ভ্যাকুওল অতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ও অনেক হয়। কিন্তু পরিণত উদ্ভিদকোশে তা একটি বা দুটি বড়ো আকারের ভ্যাকুওল বর্তমান।
কাজ : (i) প্রাণীকোশের কোশগহ্বরে খাদ্য জমা থাকে। (ii) উদ্ভিদকোশের কোশগহ্বর কোশরসে ভর্তি থাকে বলে অভিস্রবণে সাহায্য করে। (iii) উদ্ভিদকোশে কোশরসের মধ্যে অবস্থিত অ্যান্থোসায়ানিন পিগমেন্ট ফুলের পাপড়ির বিভিন্ন বর্ণ বৈচিত্র্যের জন্য দায়ী।

প্রাইমরডিয়াল ইউট্রিকল : পরিণত উদ্ভিদকোশে ছোটো ছোটো ভ্যাকুওলগুলি মিলে যে কেন্দ্রে এক প্রকার বড়ো কোশগহ্বর সৃষ্টি হয়। কোশের পরিধি বরাবর থাকে পাতলা স্তরে অবস্থিত প্রোটোপ্লাজমের বিন্যাস থাকে তাকে প্রাইমরডিয়াল ইউট্রিকল বলে ।

এরগ্যাসটিক পদার্থ বা নির্জীব বস্তু কাকে বলে?
➛ কোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত নির্জীব বস্তুগুলিকে অজীবীয় বস্তু অথবা এর গ্যাসটিক পদার্থ বা নির্জীব বস্তু বলে। যেমন : (i) সঞ্চিত পদার্থ (ii) বর্জ্য পদার্থ (iii) ক্ষয়িত পদার্থ। বর্জ্য পদার্থ : বিপাক ক্রিয়ায় উৎপন্ন অপ্রয়োজনীয় পদার্থকে বর্জ্য পদার্থ বলে।

৩০. উদ্ভিদের বিভিন্ন প্রকার বর্জ্য পদার্থ :
বর্জ্য বস্তু (নাইট্রোজেনবিহীন)
লেবু → সাইট্রিক অ্যাসিড
তেঁতুল → টারটারিক অ্যাসিড
আমরুল → অক্সালিক অ্যাসিড
আপেল → ম্যালিক অ্যাসিড
বট, রাবার → সিস্টোলিথ
ওল, কচু → র‍্যাফাইড
বট, আকন্দ, রাবার → তরুক্ষীর

উপক্ষার (নাইট্রোজেনযুক্ত)
সিঙ্কোনা গাছের ছাল →  কুইনাইন
স্পর্শগন্ধার মূলে → রেসারপিন
ধুতুরা গাছের পাতায় → ডাটুরিন
তামাক গাছের পাতায় → নিকোটিন
কফি গাছের বীজে → ক্যাফিন
আফিং গাছের কাঁচা ফলের ত্বকে  → মরফিন
বেলেডোনা গাছের মূলে ও পাতায়  → অ্যাট্রোপিন

৩১. নিউক্লিয়াস : কোশের সাইটোপ্লাজমে অবস্থিত ক্রোমোজোম সমন্বিত, দ্বি-পর্দা পরিবেষ্টিত কোশীয় উপাংশকে নিউক্লিয়াস বলে। রবার্ট হুক কোশ আবিষ্কার করেন। রবার্ট ব্রাউন নিউক্লিয়াস আবিষ্কার করেন। পারকিনজি প্রোটোপ্লাজম আবিষ্কার করেন। স্নেইডেন ও স্বোয়ান কোশবাদ প্রচার করেন।
গঠন : নিউক্লিয়াসের নিম্নলিখিত চারটি উপাংশ থাকে। যথা— (i) নিউক্লিও পর্দা (Nucleor membrane) (ii) নিউক্লিওরস বা নিউক্লিওপ্লাজম (iii) নিউক্লিওলাস (iv) নিউক্লিওজালক (Nucleor reticulum

(i) নিউক্লিওপর্দা : নিউক্লিয়াসকে ঘিরে যে দ্বিপর্দাবেষ্টিত আবরণী থাকে তাকে নিউক্লিও আবরণী বা নিউক্লিওপর্দা বলে। নিউক্লিওপর্দার গায়ে অনেকসময় রাইবোজোম দানা যুক্ত থাকে। নিউক্লিওপর্দার গায়ে অসংখ্য ছিদ্র থাকে বলে একে নিউক্লিও ছিদ্র বলে । দুটি নিউক্লিও পর্দার মধ্যেকার ফাঁকা স্থানকে পেরিনিউক্লিয়ার সিস্টারনি বলে।
(ii) নিউক্লিওপ্লাজম বা নিউক্লিওরস : নিউক্লিও পর্দার ভেতরে অবস্থিত অর্ধস্বচ্ছ, দানাদার তরল পদার্থকে নিউক্লিওপ্লাজম বা ক্যারিওলিম্ফ বলে।
(iii) নিউক্লিওলাস : নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থিত ঘন, গোলাকার অংশকে বলে নিউক্লিওলাস।
(iv) নিউক্লিওজালক : নিউক্লিওপ্লাজমে অবস্থিত, নিউক্লিওপ্রোটিন দিয়ে গঠিত জালককে নিউক্লিওজালক বা Nuclear Reticulum বলে, বা ক্রোমাটিন জালিকা বলে। ক্রোমাটিন বস্তু দু'প্রকারের যথা—
  • (a) ইউক্রোমাটিন : যে ক্রোমাটিন স্থির দশায় প্রসারিত ও হালকা বর্ণ ধারণ করে এবং বিভাজন দশায় কুণ্ডলিত থাকে ও খুব গাঢ় রঙ ধারণ করে তাকে ইউক্রোমাটিন বলে। ইউক্রোমাটিন অংশে DNA-এর পরিমাণ বেশি থাকে এবং RNA. এর পরিমাণ কম থাকে।
  • (b) হেটেরোক্রোমাটিন : যে ক্রোমাটিন স্থির ও বিভাজন দুটি দশায় কুণ্ডলিত ও খুব গাঢ় রঙ ধারণ করে তাকে হেটেরোক্রোমাটিন বলে।
৩২. নিউক্লিয়াসবিহীন কোশ : উদ্ভিদের সীভনল এবং মানবদেহে পরিণত লোহিত কণিকা নিউক্লিয়াসবিহীন। বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত কোশ ভাউকেরিয়া (উদ্ভিদ) ও পালিনা (প্রাণী)। বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত উদ্ভিদকোশকে সিনোসাইটস বলে ও বহু নিউক্লিয়াসযুক্ত প্রাণীকোশকে সিনসিটিয়াল কোশ বলে।

❐ নিউক্লিয়াসের কাজ : নিউক্লিয়াসের মধ্যে অবস্থিত ক্রোমোজোমের DNA বস্তুই বংশগতির ধারক ও বাহক হিসাবে কাজ করে এবং বংশগত বৈশিষ্ট্য এক জনু থেকে অপত্য জনুতে সঞ্চারিত করতে সহায়তা করে।


Read More MCQ Click Here 👇
  •  জীবনের সূচনা (Origin of Life) 
  • কোশচক্র ও ক্যানসার (Cell circle and Cancer
  • ক্রোমোজোমের গঠন ও কোশবিভাজন (Structure of Chromosome and Cell Division
  • ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া (Virus and Bacteria
  • সালোকসংশ্লেষ (Photosynthesis)
  • শ্বসন (Respiration)
  • স্নায়ুতন্ত্র (Nervous System
  • জ্ঞানেন্দ্রিয় (Sense Organs)
  • চলন ও গমন (Movement and Locomotion)
  • রেচন (Excretion)
  • হরমোন (Hormones)
  • সংবহন ও রক্ত (Circulation and Blood)

WBCS (Preliminary), PSC (Clerkship, Misc.), UPSC (IAS), Rail, Bank, LIC, School Service Commission সহ সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

Q1. কোশের শক্তিঘর বলা হয়?
Ⓐ লাইসোজোম
Ⓑ গলগিবডি
Ⓒ রাইবোজোম
Ⓓ মাইটোকনড্রিয়া
Answer. Ⓓ মাইটোকনড্রিয়া

Q2. পিনোসাইটোসিস পদ্ধতিতে গৃহীত হয়—
Ⓐ কঠিন খাদ্য
Ⓑ তরল খাদ্য
Ⓒ কঠিন তরল খাদ্য
Ⓓ অর্ধতরল খাদ্য
Answer. Ⓑ তরল খাদ্য

Q3. কোয়ান্টোজোম থাকে—
Ⓐ লিউকোপ্লাস্টে
Ⓑ ক্রোমোপ্লাস্টে
Ⓒ ক্লোরোপ্লাস্টে
Ⓓ জ্যাম্বোপ্লাস্টে
Answer. Ⓒ ক্লোরোপ্লাস্টে

Q4. স্নেহপদার্থ সঞ্চিত থাকে—
Ⓐ অ্যামাইলোপ্লাস্ট
Ⓑ অলিউরোনোপ্লাস্ট
Ⓒ এলাইওপ্লাস্ট
Ⓓ লিউকোপ্লাস্টে
Answer. Ⓑ অলিউরোনোপ্লাস্ট

Q5. কোশের মস্তিষ্ক বলা হয়—
Ⓐ নিউক্লিয়াস
Ⓑ রাইবোজোম
Ⓒ মাইটোকনড্রিয়া
Ⓓ প্লাস্টিড
Answer. Ⓐ নিউক্লিয়াস

Q6. আত্মঘাতী থলি বলে—
Ⓑ গলগিবডি
Ⓑ ডিকটিওজোম
Ⓒ এন্ডোপ্লাজমিক জালিকা
Ⓓ লাইসোজোম
Answer. Ⓓ লাইসোজোম

Q7. RNA-এর একটি বেস হল—
Ⓐ অ্যাডেনাইন
Ⓑ ইউরাসিল
Ⓒ গুয়ানিন
Ⓓ সাইটোসিন
Answer. Ⓑ ইউরাসিল

Q8. প্রোটিন সংশ্লেষে সাহায্যকারী কোশ অঙ্গানুটি হল—
Ⓐ রাইবোজোম
Ⓑ লাইসোজোম
Ⓒ মেসোজোম
Ⓓ ডিকটিওজোম
Answer. Ⓐ রাইবোজোম

Q9. কোশ কথাটি প্রবর্তন করেন—
Ⓐ রবার্ট হুক
Ⓑ রবার্ট ব্রাউন
Ⓒ পারকিনজি
Ⓓ স্নেইডেন ও স্বোয়ান
Answer. Ⓐ রবার্ট হুক

Q10. গাছের যে অংশ সূর্যালোক পায়—
Ⓐ ক্লোরোপ্লাস্টিড
Ⓑ ক্রোমোপ্লাস্টিড
Ⓒ লিউকোপ্লাস্টিড
Ⓓ উপরের সবগুলি 
Answer. Ⓐ ক্লোরোপ্লাস্টিড

Q11. সেন্ট্রোজোম থাকে—
Ⓐ উদ্ভিদকোশে
Ⓑ প্রাণীকোশে
Ⓒ আদি কোশে
Ⓓ আদর্শ কোশে
Answer. Ⓑ প্রাণীকোশে

Q12. আয়তনে বৃহৎ প্রাণীকোশ—
Ⓐ নার্ভকোশ
Ⓑ রেমি উদ্ভিদের তত্ত্ব
Ⓒ উটপাখির ডিম
Ⓓ মাইকোপ্লাজমা
Answer. Ⓒ উটপাখির ডিম

Q13. পর্দাবিহীন কোশীয় অঙ্গাণু হল—
Ⓐ লাইসোজোম
Ⓑ সেন্ট্রোজোম
Ⓒ এন্ডোপ্লাজমিক রেটিকিউলাম 
Ⓓ গলগিবডি
Answer. Ⓑ সেন্ট্রোজোম

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0মন্তব্যসমূহ

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন (0)